মুখ্যমন্ত্রীর উৎসাহে প্রাণ ফিরলো মৃন্ময়ী দুর্গার

জেলা

করোনা কারণে লকডাউন। সেই ২২শে মার্চ থেকে শুরু তারপর মাসের পর মাস কেটে গিয়েছে। পয়লা বৈশাখের গণেশ পুজো থেকে শুরু করে বিশ্বকর্মা পুজো পর্যন্ত একের পর এক হিন্দুধর্মের নানাবিধ অনুষ্ঠান পেরিয়ে গিয়েছে। মৃৎ শিল্পীর ঘরে মাটির প্রদীপ থাকলেও জোটেনি কেরোসিন। শান্তিপুরের কুমোরপাড়াতেও তিথি অনুযায়ী মহালয়া পেরোলেও প্রতিমা গড়ার কারখানায় ছিলনা ব্যস্ততা। বিগত বছরগুলোতে রথযাত্রার পর থেকেই ব্যস্ততা থাকতো তুঙ্গে কুমোরপাড়ায়, কারণ রথে দুর্গার কাঠামো পূজা বা চলতি কথায় পাটপুজো হওয়ার পরেই পাট পৌঁছাত প্রতিমা শিল্পীর ঘরে। এবছরে সেসব ঘটেনি। অবশেষে ২৫শে সেপ্টেম্বরে মুখ্যমন্ত্রীর দুর্গাপূজার অনুদান ঘোষণায়, কিছুটা হলেও হাসি ফিরেছে কুমোরপাড়ার প্রতিমা শিল্পীদের মুখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *