কুটির শিল্পেও বাঁধা করোনা

জেলা

ধর্মীয় বিশ্বাসের পেছনে সমাজের অর্থনৈতিক সামঞ্জস্য কারণ লুকিয়ে থাকে। তাই উৎসবের প্রয়োজন। বর্তমানে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে পুজো প্যান্ডেল গুলি কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষিত হলো একেবারে অন্তিম লগ্নে। অনেক আলোচনা সমালোচনা হলেও এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঁশের খাঁচা তৈরি, বিচুলি বাধা, কাদা মাটি তৈরি, ঠাকুরের চুল তৈরি, সাজের বিভিন্ন উপকরণ, স্বর্ণশিল্পী, ঠাকুরের পেছনের চালি নির্মাণ, পূজার পুরোহিত, ঢাকি, প্যান্ডেল তৈরি এবং সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন থিম তৈরির শিল্পীরা, পুজো মণ্ডপের সামনে বিভিন্ন রকমের বিক্রেতা, সকলের অর্থনৈতিক স্থিরতা আসে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে। দুর্গাপুজো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর বেশ খানিকটা উপকৃত হয়েছেন ছোটো ছোটো কুটির শিল্পের ব্যাবসায়ীরা। তবে হাইকোর্টের নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে পুজো হচ্ছে কিন্তু তা দর্শকশূন্য। এবছর প্রথম থেকে পুজোর বিধি নিষেধ ঘোষিত হলে হয়তো সামান্য হলেও এই আর্থিক লেনদেন গুলো সম্ভব হতো না বলে জানান কুটির শিল্প ব্যবসায়ী কার্তিক সাঁতরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *