রাজ্যের দুই জেলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে সংক্রমণ, বাড়ছে উদ্বেগ

0
0

ভিন রাজ্য থেকে বাংলায় আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে ক্রমশই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। রাজস্থান থেকে বিশেষ ট্রেনে আসা তিন শ্রমিকের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়। এরপর দিনই করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে মুর্শিদাবাদ জেলার চার জনের। এদের মধ্যে একজন জঙ্গিপুর জেলা হাসপাতালের বছর ২৫ এর নার্স। আর অন্য তিনজন ৩০, ৫৮ ও ৬৫ বছর বয়সী ব্যক্তি।
বাইরের রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে অধিকাংশই মালদা ও মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। যার জেরে ক্রমশই বাড়ছে আতঙ্ক।
পশ্চিমবঙ্গ চিকিৎসক ফোরামের সেক্রেটারি কৌশিক চাকি জানান, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এই চার রোগীর লালারস পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করে ৬ই মে। তবে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে ১০ মে। এটাই উদ্বেগের কারণ। রাজ্যে সরকারের আরও করোনা পরীক্ষা করার দরকার। রাজ্যে ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে ক্রমশই বাড়ছে সংক্রমণ। করোনা মোকাবিলায় প্রথম সারির যোদ্ধাদের কাছে নেই পর্যাপ্ত পিপিই কিট। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে তৃতীয় বার চিঠি ডাক্তারদের বিশিষ্ট সংস্থা। চিঠিতে রাজ্যজুড়ে আরও কোভিড-১৯ টেস্টের দাবি জানায় ডাক্তারেরা।
উল্লেখ্য ৬ মে কেরালা থেকে বিশেষ ট্রেনে বহরমপুর স্টেশনে পৌছায় ১২২৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক। সেদিন ঐ ট্রেনের কয়েকজন শ্রমিকের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যাদের রিপোর্ট এখনও আসেনি। যদিও রবিবার রাতে যে তিন জন ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তারা দিল্লি থেকে রাস্তা দিয়ে ফিরেছিলেন।
স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মুর্শিদাবাদে মোট ৭০ টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে, যার অধিকাংশই ফাঁকা। নতুন আক্রান্তদের সংখ্যা মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৫। নতুন চারজন আক্রান্তকে বহরমপুরের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে সম্প্রতি রাজস্থানের আজমির থেকে ট্রেনে ফেরা মালদার তিন পরিযায়ী শ্রমিকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যেই ট্রেনে এক বিপুল সংখ্যক মানুষ বাংলায় ফিরেছেন। যার জেরে ক্রমশই বাড়ছে আতঙ্ক। করোনা টেস্টের সংখ্যা না বাড়ালে যা এই আতঙ্ক আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here