মুসলিম সম্প্রদায়ের মৃৎশিল্পীদের হাতে কালী ঠাকুর

0
1

আর হাতে গোনা কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। আলোর রোশনাই রাঙিয়ে তুলতে প্রস্তুত আট থেকে আশি সবাই। দীপান্বীতা অমাবস্যায় পূজিত হন শ্যামা কালী। সারারাত দীপ জ্বালিয়ে কালী পুজো আনন্দে মাতোয়ারা হন সবাই। কিন্তু মাটির ওই চিন্ময়ী রূপ কার হাতে তৈরি হয় কারো জানা নেই। মাটির এই চিন্ময়ী রূপকে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে দেবদেবী হিসেবে পূজা করা হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া থানার কেশববাড় গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের মহিলা পুরুষদের হাতে তৈরি হচ্ছে কালী চিন্ময়ী প্রতিমা। শুধু কালী প্রতিমা নয়, সারা বছর কখনো কালী, দূর্গা, বিশ্বকর্মা,সরস্বতী,লক্ষী সমস্ত দেবদেবীর মূর্তি তৈরি করেন এই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। মৃৎশিল্পী পুষ্পিতা চিত্রকর জানান, পূর্বপুরুষ থেকেই মাটির মূর্তি তৈরি করে আসছেন তারা। এর উপরে নির্ভর করে উপার্জন করেন তারা। এখানে কোনো জাতী,ধর্ম, বর্ণ দেখা হয় না। সারা বছর অপেক্ষায় থাকে এই দিনগুলোর জন্য। কিন্তু অন্য সময় যে হারে ঠাকুর তৈরি করে থাকি, অর্ডার আসে,এবছর করোনা মহামারীর জন্য অনেক কম ঠাকুরের অর্ডার এসেছে। সারাবছরের রুটি রোজগার বলতে আমাদের কাছে এই। এ বছর আমরা অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। শত অসুবিধার মধ্যে হলেও আমরা আগে থেকেই কালী ঠাকুরের মূর্তি তৈরি করতে শুরু করেছি।আলোর উৎসবের সাথে সাথে মা কালী যেন করোনা মহামারীকে দূর করে দেন এই প্রার্থনা করেন পাঁশকুড়া কেশববাড়ের চিত্রকর পাড়ার মৃৎশিল্পীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here