সিকিম এবার রেল পথেই

0
0

আগামী দু’বছরের মধ্যেই সিকিম পৌঁছনো সম্ভব হবে ট্রেনে চেপে। পাহাড় কেটে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বানানো হচ্ছে টানেল। তার মধ্যে দিয়েই ট্রেন ছুটবে রংপো পর্যন্ত। ২০০৯ সালে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিমকে রেলপথে জুড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনা অধরাই ছিল।যদিও নানা বাধা বিপত্তি কাটিয়ে ১১ বছর পরে শুরু হয় কাজ।কয়েক মাস কাজ হওয়ার পরেই করোনার জন্যে থমকে যায় কাজের গতি। আবারও দ্রুত গতিতে সেই কাজ শুরু হয়েছে। সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত পাহাড় কেটে হবে ট্রেনে চেপে। পাহাড় কেটে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বানানো হচ্ছে টানেল। তার মধ্যে দিয়েই ট্রেন ছুটবে রংপো পর্যন্ত। ২০০৯ সালে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিমকে রেলপথে জুড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনা অধরাই ছিল।যদিও নানা বাধা বিপত্তি কাটিয়ে ১১ বছর পরে শুরু হয় কাজ।কয়েক মাস কাজ হওয়ার পরেই করোনার জন্যে থমকে যায় কাজের গতি। আবারও দ্রুত গতিতে সেই কাজ শুরু হয়েছে। সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত পাহাড় কেটে সুড়ঙ্গ বানানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেবক থেকে রংপো অবধি এই রেল পথের দুরত্ব হচ্ছে ৪৪.৯৮ কিমি। পশ্চিমবঙ্গে থাকছে ৪১.৫৭ কিমি। সিকিমে থাকছে ৩.৪১ কিমি। মোট ১৪টি টানেল, ১৯টি ব্রিজ থাকছে এই যাত্রা পথে। প্রায় ৪৫ কিমি যাত্রাপথে থাকছে ৫টি রেল স্টেশন। স্টেশন বানানো হচ্ছে সেবক, রেয়াং, তিস্তা বাজার, মেল্লি ও রংপোতে।জোর কদমে চলা এই প্রকল্প দ্রুত শেষ করতে চায় রেল। কারণ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সড়কপথ জাতীয় সড়ক ১০, যদিও ভৌগোলিক কারণে এই রাস্তা বছরের সব সময় যথাযথ থাকে না। কখনও ধস নেমে। কখনও আবার দৃশ্যমান্যতা কমে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে। তাই কেন্দ্র চাইছে এই প্রকল্পের কাজ জলদি শেষ করতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here