মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য

জেলা রাজ্য

মানুষের সংকটের সময়, বিপন্নতার সময় পরিত্রাণের পথের নির্দেশ দেয় মানুষ তাদের মানবিক উদ্যোগ দিয়ে।করোনার থাবায় বিশ্ব ও দেশের বিপর্যস্ত সময়েও প্রমান মিলল যে ঘরের কোনে আটকে থাকা মানুষকে উৎসবের সুবাস দেয় মানবিক উদ্যোগই । ঈদের প্রাক্কালে সেরকম ভাবেই সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিল এক মানবিক উদ্যোগ। উত্তর চব্বিশ পরগনার মাধবপুরে একটি মানবিক সংগঠনের এমনই এক অভূতপূর্ব উদ্যোগ দিশা দেখালো সম্প্রীতি ও মানবকল্যানে।ঈদের প্রাক্কালে মানুষের সংকটমোচনের পথ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ফুটে উঠল।যেখানে জড়িয়ে থাকল আত্মীয় সমাজ নামক মানবিক সংগঠন মা রামকৃষ্ণ সারদা মিশন।ঈদের বস্ত্র বিতরণের মধ্যে দিয়ে পবিত্র লগ্নের হল শুভ সূচনা। বারাসাত লাগোয়া মাধবপুরে মানবিক সংগঠনের উদ্যোগ একটি দৃষ্টান্ত যেখানে মানবিক উদ্যোগের বলে বলীয়ান মানুষই অন্ধকারের অবসান ঘটিয়ে আলোর মধ্যে ফেরার পথ তৈরী করে । করোনাভাইরাস যখন সর্বব্যাপী নাশকতার থাবা বসাতে উদ্যত তখন এরকমই এক উদ্যোগ নিয়ে মানবিক সংগঠন আত্মীয় সমাজ একটি বার্তা বয়ে আনল যার নির্যাস : প্রতিটি মানুষের আত্মীয় প্রত্যেক মানুষ। মারণ ব্যাধির বিরুদ্ধে সতর্কতা কে সঙ্গে নিয়ে মানুষ একতার ও মেলবন্ধনের বার্তা হয়ে উঠল উদ্ভাসিত।

শনিবার রমজানের তেইশ তম দিবসে আহ্বান করা হল উৎসবের প্রাক্কালের বস্ত্র বিতরণের আয়োজন। আর এক সপ্তাহ পরেই মুসলিমদের সব থেকে বড় উৎসব ঈদ। লকডাউন এর ফলে ঈদ কিভাবে কাটবে সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে। তারই মধ্যে আত্মীয় সমাজ নামের মানবিক সংগঠনটি 100 বিপন্ন মানুষের হাতে তুলে দিলেন ঈদ উপলক্ষে বস্ত্র। ঈদের খুশি কে ভাগ করে নিতেই তাদের এই মানবিক উদ্যোগ। বস্ত্রটি তুলে দেওয়া হয় স্থানীয় মা সারদা রামকৃষ্ণ মিশনের চত্বরে । তাদের বার্তা ভালোবাসার কাছে যুগে যুগে সব কিছুই হার মেনেছে। আত্মীয় সমাজের বিশ্বাস হার মানবে এই করোনাভাইরাস। এবং ঈদের খুশিতে কোন বিপন্ন মানুষ যেন অখুশি না থাকে সেই ভালোবাসারই খাতিরে বিপন্ন মানুষের হাতে তুলে দেন বস্ত্র এবং খাদ্য সামগ্রী। ভালোবাসাকে মূলধন করে সম্প্রীতির বন্ধনে সংকট মোচনে উৎসবের আহ্বান নতুন দিক নির্দেশ করল। করোনার বিরুদ্ধে সতর্ক থেকে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিকে পাথেয় করে চলবে ব্যাধি ও বিভেদের বিরুদ্ধে লড়াই এমনই বার্তা দিল এদিনের উদ্যোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *