ব্যর্থ প্রেমে আত্মঘাতী যুবক

জেলা রাজ্য

পুরানো প্রেম ফিরে পেতে চেয়ে আত্মঘাতী এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র। মৃতের নাম সৌম্যদীপ দাস। সে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি থানার অন্তর্গত বেলপুকুর গ্রামের বাসিন্দা এবং হাওড়া দালাল পুকুর পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র। তার মৃত্যু ঘিরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাত্রে এই ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার সৌম্যদীপ দাসের ছোট ভাইয়ের জন্মদিন ছিল। আর সেইদিনই ঘটে গেল বাড়ির অন্য ছেলের মৃত্যুর ঘটনা। পরিবার সূত্রের খবর, এদিন রাতে সৌম্যদীপ বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাড়ির দরজা না খোলায়, বাড়ির লোকেরা সন্দেহজনক ভাবে তার ঘরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সে মায়ের শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। সৌম্যদীপকে উদ্ধার করে বেলপুকুর প্রাথমিক হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে চিকিত্সক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। তারপর কুলপি থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। প্রতিবেশী ও পরিবারের দাবি, সৌম্যদীপ প্রেমঘটিত কারণেই আত্মহত্যা করেছে। অন্যদিকে তার মোবাইলে দেখা যায় সৌম্যদীপের সাথে বৃষ্টি মাইতি নামে এক মেয়ের ওইদিনই রাতে এসএমএসে দীর্ঘক্ষন কথা হয়। তার থেকেই অনুমান, দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে তাদের কথোপকথনে বোঝা যায় বর্তমানে মেয়েটি তার সাথে আর সম্পর্ক রাখতে চাইছিল না। আর সে কারণেই হয়তো সৌম্যদীপের এই পদক্ষেপ। স্থানীয় এবং প্রতিবেশীদের বক্তব্য, সৌম্যদীপের বাবা রক্ত বিক্রি করে তাকে কলেজে ভর্তি করেছিলেন। পড়াশুনার জন্য জমি জায়গাও বিক্রিও করে দিয়েছিলেন।সে সকলের গর্ব ছিল। তবু একটি মেয়ের জন্য আমাদের বড় ছেলে এই পদক্ষেপ নিল।তার বাবা অবিলম্বে বৃষ্টি মাইতির শাস্তির দাবি করেছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *