করোনা আবহেও সন্তানকে সুস্থ রাখবেন কিভাবে? জেনে নিন কিছু অভ্যাস

স্বাস্থ্য

করোনা ভাইরাসের জেরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বজুড়ে। ভারতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এর জেরে অনেকাংশেই মানসিক চাপে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছেন গর্ভবতী মায়েরা। গর্ভবতী অবস্থায় একেই নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। তার উপর এই করোনা আতঙ্ক। তবে এই পরিস্থিতিতেও সন্তানের যত্ন নেওয়া এক হবু মায়ের আশু কর্তব্য। প্রত্যেক মা-ই চায় তার সন্তান যেন সুস্থ অবস্থায় জন্ম নেয় এবং সুস্থভাবেই বেড়ে ওঠে। তাই এই পরিস্থিতিতেও তার যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। তেমনই কয়েকটি অভ্যাস থাকা প্রয়োজন, যা শিশুকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে যেমন সাহায্য করবে, তেমনই বাড়াবে তার বুদ্ধিমত্তাও। জেনে নিন এমনই কিছু অভ্যাস।

সুষম আহার
গর্ভবতী মায়েদের খাদ্যাভ্যাসে অনেক পরিবর্তন ঘটে। কারন সুষম আহার শিশুর সুস্বাস্থ্য ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মায়ের সুষম ও স্বাস্থ্যকর ডায়েট শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শরীরচর্চা
শরীরচর্চাও এক শিশুকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু শরীরচর্চা অভ্যাস করা মায়েদের জন্য খুবই প্রয়োজন। তার মাধ্যমেই মায়েরা যেমন সুস্থ থাকবে, তেমনই শিশুও শারীরিক ও মানসিক দিয়ে স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠবে।

সূর্যের আলো
সূর্যের আলো অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য খুবই স্বাস্থ্যকর। ভিটামিন সি একদিকে যেমন শিশুকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে, ঠিক তেমনি তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। দিনে ১৫-২০ মিনিট রোদে থাকা গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুবই উপকারী।

মায়ের স্পর্শ
মায়ের ছোঁয়া এক শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সময় পেলেই গর্ভবতী মায়েদের উচিত পেটে হাত বোলানো। যাতে ভিতরে থাকা ছোট্ট অতিথিটি অনুভব করতে পারে তার মায়ের স্পর্শ। মাতৃত্বের স্পর্শ তাকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করবে।

ইতিবাচক ভাবনা
গর্ভবতী অবস্থায় মা কি দেখছে, কি শুনছে, কি ভাবছে, তার প্রভাব পড়ে সন্তানের উপর। তাই এই অবস্থায় আতঙ্ক বা নেতিবাচক চিন্তাভাবনা ক্ষতি করতে পারে শিশুর। তাই এই কঠিন পরিস্থিতিতেও সন্তানের স্বার্থে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা রাখতেই হবে মায়েদের।

বই পড়া
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বই পড়লে একদিকে যেমন মায়েরা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পায়, ঠিক তেমনি শিশুর মস্তিষ্কের ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। এই ছাড়াও বই পড়ার মাধ্যমে শরীর আরাম পায়, যার জেরে এমন হরমোন নিঃসৃত হয় যা মা ও শিশু উভয়কেই স্বাস্থ্যকর রাখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *